যে শহরের ৯৩ শতাংশ পকেটমারই নারী! Latest Update News of Bangladesh

শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
একটি দেশের সম্পর্ক ভারতের, কোন দলের সঙ্গে নয়: মোদি মিয়ানমার প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে সম্মত বাকেরগঞ্জে তরমুজ চুরি রুখতে গিয়ে কৃষক নিহত মোদি-ইউনূস বৈঠক: হাসিনা, সীমান্ত হত্যা ও তিস্তা নিয়ে আলোচনা শুল্ক যুদ্ধের রণতূরী: ট্রাম্পের পদক্ষেপে বিশ্ব বাণিজ্যে অশনি সংকেত শহীদ জিয়ার পর সবচেয়ে সফল হবে ড. ইউনূসের সরকার : ব্যারিস্টার ফুয়াদ বঙ্গোপসাগর নিয়ে ভারতের নতুন দাবি, তুঙ্গে নয়া বিতর্ক তরুণদের ‘তিন-শূন্য ব্যক্তি’ হতে আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বিমসটেকের নতুন দিগন্ত উন্মোচন বানারীপাড়ায় খালে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী




যে শহরের ৯৩ শতাংশ পকেটমারই নারী!

যে শহরের ৯৩ শতাংশ পকেটমারই নারী!




অনলাইন ডেস্ক:

পকেটমারার কাজটা কঠিন হলেও এতে বেশ পরিপক্ক শহরটির নারীরা। আর এই কাজে তারা এতটাই দক্ষ যে পুরুষদের থেকে ৯৩ ভাগ এগিয়ে আছে তারা। বলছিলাম ভারতের রাজধানী দিল্লির কথা।

ভারতের সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স এর তথ্য মতে, শহরটির ২০১৭ সালে ৯৩ শতাংশেরও বেশি পকেটমার ছিল নারী। আগের বছর এই হার ছিল ৯১ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে নারী পকেটমারের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক হাজার ২২২ জন নারী ও ৮৯ পুরুষ পকেটমারকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার হওয়া নারীদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ থেকে ৪০। দিল্লির ১৪০টি মেট্রো স্টেশনে সাদা পোশাকে নারী পুলিশ মোতায়েন করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের মতে, ছদ্মবেশ নেয়া সহজ হওয়ায় পুরুষের চেয়ে নারীরাই বেশি হারে পকেটমার হচ্ছে। তারা প্রায় সময়েই ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে।

এছাড়া অনেকে নারীদের পকেটমার হিসেবে সন্দেহ করে না। আর এই সুযোগটা নিয়েই তারা দিল্লির স্টেশনগুলোতে পকেট মেরে থাকে।

সংস্থাটির মতে, পকেটমারার জন্য নারীদের বিরুদ্ধে সাধারণত অভিযোগ করেন না ভুক্তভোগীরা।

গত বছর পকেটমারের পর ৬৮ লাখ রুপি উদ্ধার করে আসল মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হয়। কিন্তু অভিযুক্ত পকেটমারদের বিরুদ্ধে মাত্র ১৮টি মামলা হয়েছে। বাকিরা নারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়নি।

ভুক্তভোগীদের এই না চাওয়াকে নারীদের পকেটমার হওয়ার অন্যতম কারণ মনে করে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD